এর পেছনের বৈজ্ঞানিক কারণ কী?
এই হ্রদের পানি অত্যন্ত ক্ষারীয় বা অ্যালকালাইন। এর পিএইচ (pH) মাত্রা প্রায় ১০.৫, যা প্রায় অ্যামোনিয়ার কাছাকাছি তীব্র। হ্রদের চারপাশের আগ্নেয়গিরি (বিশেষ করে ওল ডইনিও লেঙ্গাই) থেকে আসা সোডিয়াম কার্বনেট এবং সোডিয়াম বাইকার্বনেট মিশ্রিত ছাই এই পানিতে এসে মেশে। এই মিশ্রণটিকে বলা হয় 'ন্যাট্রন'।
যখন কোনো পাখি বা প্রাণী ভুলবশত এই হ্রদের পানিতে পড়ে বা পানি পান করতে যায়, তখন পানির তীব্র ক্ষারীয় উপাদান তাদের চোখ এবং ত্বক পুড়িয়ে দেয়। এরপর ক্যালসিফিকেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের পুরো শরীরটি ধীরে ধীরে মমি বা পাথরের মূর্তিতে পরিণত হয়।
অদ্ভুত লাল রঙের রহস্য
তীব্র ক্ষারীয় এবং লবণের আধিক্য থাকা সত্ত্বেও এই হ্রদে এক ধরণের বিশেষ অণুজীব বা ব্যাকটেরিয়া বেঁচে থাকে, যাদের নাম 'হ্যালোআর্কিয়া'। এই অণুজীবগুলোর কারণেই হ্রদের পানির রঙ এমন রক্তলাল দেখায়। প্রকৃতির এই অদ্ভুত এবং নিষ্ঠুর রূপ সত্যিই ভাবিয়ে তোলে।
